Posts

কিডনি কিভাবে সুস্থ রাখবেন ( How to keep the kidneys healthy )

Image
কিডনি কিভাবে সুস্থ রাখবেন ( How to keep the kidneys healthy ) কিডনি মানবদেহের অন্যতম প্রধান অঙ্গ। বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে বের করে দিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে কিডনি। শরীরের পানি ও রক্তের অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ যেমন সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস ও ক্যালসিয়ামের ভারসাম্যও বজায় রাখে। তাই সুস্থ দেহের জন্য সুস্থ কিডনি খুব দরকার। নিয়মিত কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে কিডনি সুস্থ রাখা সম্ভব। জেনে নিন সেগুলো কী কী। নিয়মিত শরীরচর্চা  ( Regular exercise ) নিয়মিত শরীরচর্চা যেকোনো রোগেরই ঝুঁকি কমায়, কিডনির অসুখও তার ব্যতিক্রম নয়। পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ কিডনির সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি। যারা শরীরচর্চা করার সুযোগ বা সময় পান না তাদের জন্য নিয়মিত হাঁটাহাটি, দৌড়-ঝাঁপ, সাঁতার কাটা বা সাইকেল চালানোর মতো অভ্যাস অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে।  ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ( Diabetic control ) ডায়াবেটিস কিডনির সমস্যা ডেকে আনে। ডায়াবেটিসে যেহেতু রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়, তাই রক্ত পরিশুদ্ধ করতে কিডনিকে বেশি কাজ করতে হয়। এ কারণেই কিছুক্ষণ পর...

কলার খোসার ব্যাবহার

Image
কলার খোসার ব্যাবহার কাঁচা হোক আর পাকা, খাবার হিসেবে কলা যেমন সুস্বাদু, তেমনই স্বাস্থ্যকর। কিন্তু কলার খোসা? বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কলা খাওয়ার পর খোসার জায়গা হয় ময়লার বাক্সে। কিন্তু ফেলে না দিয়ে দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করলে এই কলার খোসাই হয়ে উঠতে পারে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। জুতা পলিশ করতে নিয়মিত পলিশ না করলে নতুন জুতার অবস্থা হতে পারে বেহাল। সেই জুতা ঠিক করতে আপনাকে বাক্স–পেটরা খুলে বসতে হবে না। কিংবা ছুটতে হবে না চর্মকারের কাছে। একটা কলার খোসা নিন। ভেতরের অংশ দিয়ে পলিশ করে ফেলুন জুতা। দেখবেন একেবারে নতুনের মতো চকচক করছে। এ ক্ষেত্রে পাকা কলার খোসা থেকে কাঁচা কলার খোসা বেশি কার্যকর। ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কলার মতো এর খোসাও অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন এ, বি, সি ও ই–সমৃদ্ধ। শুষ্ক ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষত শীতকালে পায়ের গোড়ালির শুষ্ক ত্বকের জন্যও কলার খোসা উপকারী। দাঁতের উজ্জ্বলতা বাড়াতে দাঁত থেকে হলদে ভাব দূর করার জন্য কলার খোসা বেশ উপকারী। পেস্ট–ব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজার আগে কলার খোসার ভেতরের দিক দিয়ে কিছুক্ষণ দাঁত মাজুন। এরপর ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে দাঁত পরিষ্কার করে ফেলুন। এ সময় যতটা সম্ভব ...

শীতে ত্বকের যত্ন

শীতে ত্বকের যত্ন ত্বক শরীরের একক বৃহত্তম অঙ্গ। কাজেই শারীরিক সুস্থতার জন্য সুস্থ ও সুন্দর ত্বক যে অপরিহার্য, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। পারিপার্শ্বিক অবস্থার সঙ্গে শরীরকে খাপ খাইয়ে স্বাভাবিক অবস্থা রক্ষা করা ত্বকের একটি প্রধান কাজ। এ জন্য ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকেরও পরিবর্তন হয়ে থাকে। গ্রন্থি নিঃসৃত তেলের মাধ্যমে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও মসৃণতা বজায় থাকে। শীতের শুষ্ক আবহাওয়া ত্বকের স্বাভাবিক তেলের আস্তরণ শুষে নেয়। ফলে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হতে থাকে। বিশেষ করে একজিমা, সোরিয়াসিস, ইকথায়োসিস এবং অ্যালার্জিজনিত রোগে যারা ভুগে থাকেন তাদের অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সুস্থদের এসব রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এ জন্য শীতে ত্বকের জন্য বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। গোসল অনেকে শীতে গরম পানিতে গোসল করেন। এতে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে থাকে। কুসুম গরম পানিতে স্বল্প সময়ে গোসল শেষ করুন। গোসলে অপেক্ষাকৃত কম ক্ষারীয় সাবান ব্যাবহার করুন। ত্বকের ধরন অনুযায়ী সাবান নির্বাচনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। একজিমা, সোরিয়াসিস, ইকথাওসিস ইত্যাদি রোগে যারা ভুগে থাকেন, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অটামিল বা সি সল্ট বাথ নিতে পা...

মানসিকভাবে বৃদ্ধ হওয়ার অনুভূতি জাগায় যে অভ্যাস

Image
প্রতিদিনই একটু একটু করে বেড়ে চলেছে বয়স। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য বলে, ২০৫০ সালে বিশ্বব্যাপি ২০০ কোটি মানুষের বয়স হবে ৬০ বা তারও বেশি। আবার ওয়েলঅ্যান্ডগুড ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ‘ডেমোগ্রাফিক রিসার্চ’য়ে প্রকাশিত এক গবেষণার দাবির ভিত্তিতে জানায়, এই শতকের শেষ হওয়ার আগেই আমরা একজন মানুষকে ১২০ বছর বাঁচতে দেখব। এই দীর্ঘায়ুর সঙ্গে সমস্যাও আছে, বয়স যত বেশি, ততই বার্ধক্যজনীত অসুখও বেশি। তবে যুক্তরাষ্টে্রর জর্জটাউন’য়ের ‘ব্রেইন অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব’য়ের পরিচালক ও ‘নিউরোসায়েন্স’ বিভাগের অধ্যাপক ড. মাইকেল টি. আলম্যান একই প্রতিবেদনে বলেন, “আমরা গবেষণায় কিছু বয়ষ্ক মানুষের মানসিক অবস্থার উন্নতি হতে দেখেছি। বার্ধক্যে পা দেওয়ার প্রতি আমাদের দৃষ্টি বদলে দেয় এই গবেষণাগুলো। সিংহভাগ মানুষ ধারণা করেন বয়স বাড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। তবে মানসিক কিছু বিষয় বয়সের সঙ্গে আরও তীক্ষ্ণ হয়, যার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে দীর্ঘদিন সেই মানসিক কৌশলগুলোর চর্চা।” বয়সের ভার একজন মানুষকে কীভাবে নুইয়ে দেবে তার কোনো স্থির নিয়ম নেই। বার্ধক্য কতটা সুগম হবে সেটা মানুষ দৈনন্দিন জীবনযাত্রা দ...

কোন পেশার মানুষ সবচেয়ে বেশি পরকীয়ায় আগ্রহী ?

Image
পতি পত্নী অউর ওহ। এই ত্রিকোণ প্রেমের ব্যাপারটা বহুদিনের পুরনো। যত দিন যাচ্ছে, পরকীয়া যেন নতুন নতুন রূপ পাচ্ছে। তবে সবার দ্বারা কিন্তু হয় না পরকীয়া। অনেকের মনে মনে ইচ্ছে থাকলেও, সাহস করে পা বাড়তে পারেন না। সম্প্রতি পরকীয়া নিয়ে এক সমীক্ষা করেছে জনপ্রিয় একটি ডেটিং সাইট। যে সমীক্ষায় দেখা হয়েছে, ঠিক কোন কোন পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষ পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন সবচেয়ে বেশি। এই সমীক্ষায় সামনে এসেছে অবাক করা তথ্য। সমীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১২ টি পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের মধ্যেই পরকীয়ার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। কোন কোন পেশার মানুষরা সবচেয়ে বেশি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ছেন? এ ব্যাপারে শীর্ষে রয়েছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। সমীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডাক্তার ও নার্স একসঙ্গে অনেকক্ষণ কাজ করেন। বহু সময়ই নানা মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যেতে হয় তাঁদের। সেই কারণে নার্স ও চিকিৎসকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরকীয়ার সম্ভাবনা দেখা যায়। এরপরেই রয়েছে শিক্ষক বা প্রফেসর। এক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছে, একসঙ্গে বেশিক্ষণ অফিসে থাকা ও মানসিক চাপই এই ধরনের প্রেমে এগিয়ে দেয় মানুষকে। শুধু তাই নয়, চোখের উপর স্কুল বা কলেজে পড়ুয়াদের প্রে...

বয়সের ছাপ কমিয়ে রাখতে পারে যে চা

Image
সতেজভাব, মাথা ধরা সারানো বা আড্ডা জমাতে- প্রতিদিন চা পানের এরকম বহু কারণ থাকতে পারে। ধরন অনুযায়ী চায়ের উপকারিতাও ভিন্ন। তবে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পানীয় বয়স্ক হওয়ার বিরুদ্ধে লড়তে পারে। আর বিশেষজ্ঞদের মতে এই ধরনের পানীয়র মধ্যে রয়েছে গ্রিন টি। যুক্তরাষ্ট্রের শরীরচর্চা ও রূপ-বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘টোটাল শেইপ’য়ের সহকারী প্রতিষ্ঠাতা, পুষ্টিবিদ ও প্রশিক্ষক মাইকেল গ্যারিকো ইটদিস নটদ্যাট ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলেন, “গ্রিন টি’তে আছে ‘এপিগ্যালোক্যাটেচিন গ্যালেট’ নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের মৃতপ্রায় কোষকে পুনুরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করে।” তিনি আরও জানান, এই পানীয়তে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি এবং ই। যা ত্বকের সুস্থতার জন্য উপকারী। ভিটামিন বি-২ ত্বককে সতেজ রাখে ও তারুণ্য ফুটিয়ে তোলে। ভিটামিন ই ত্বকের নতুন কোষ গঠনে সহায়তা করে। আর মসৃণতা বাড়ানোর পাশাপাশি উজ্জ্বলভাব ফুটিয়ে তোলে। যুক্তরাষ্ট্রের নিবন্ধিত পুষ্টিবিদ ট্রিস্টা বেস্ট’য়ের মতে, বয়স্কভাব রোধের জন্য সেরা পছন্দ হতে পারে গ্রিন টি। তিনি বলেন, “গ্রিন টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আর নানান স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দুর্বলতা ক...

ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়ানোর উপায়

Image
সিঁড়ি বেয়ে ওঠা, জোরে হাঁটা কিংবা দৌঁড়াতে গিয়ে যারা অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠেন তাদের ফুসফুসে বাতাস ধরে রাখার জায়গা কমে যাচ্ছে। ‘শর্টনেস অফ ব্রেথ’ বা দম ফুরিয়ে আসার পেছনে নানান কারণ থাকতে পারে। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদনে চিকিৎসাবিজ্ঞানের সূত্রানুসারে জানানো হয়-, হাঁপানি, ধূমপান, ‘ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি)’ ইত্যাদির কারণে দম ফুরিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থার তৈরি হতে পারে। এসবে আক্রান্ত কিংবা আসক্তদের উচিত হবে নিজেদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়া। লাং ক্যাপাসিটি   ফুসফুস একবারে ঠিক কতটুকু বাতাস তার ভেতরে নিতে পারে সেই পরিমাণটাই হল ওই মানুষের ‘লাং ক্যাপাসিটি’। বয়স বাড়ার সঙ্গে ফুসফুসের এই বাতাস ধারণ ক্ষমতা কমতে থাকে। আর ফুসফুস কিংবা শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগে যারা ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও দ্রুত দেখা দিতে পারে। প্রাকৃতিকভাবে পুরুষের ফুসফুসের বাতাস ধারণ ক্ষমতা নারীদের ফুসফুসের তুলনায় বেশি হয়। এই ধারণ ক্ষমতা নিচের কিছু উপায়ে বাড়ানো যেতে পারে। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম ব্রিদিং এক্সারসাইজ বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম ফুসফুস...

বিয়েতে সম্মতি দেওয়ার আগে যে বিষয়গুলো আলোচনা করা প্রয়োজন

Image
নিজের পছন্দ অথবা পারিবারিকভাবে যেভাবেই বিয়ে হোক, সঙ্গীর সঙ্গে কিছু বিষয় খোলামেলা কথা বলে নেওয়া প্রয়োজন। এতে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কে সমস্যা কম দেখা দেয়। ফেমিনা ডটইন’য়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অবলম্বনে প্রয়োজনীয় ও প্রচলিত কিছু বিষয় সম্পর্কে জানানো হল যা বিয়েতে সম্মতি দেওয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো, এতে দাম্পত্য কলহ হওয়ার সম্ভাবনা কমে। আর্থিক বিষয়:   বিয়ের আগে আর্থিক বিষয়ে কথা বলা অনেকের কাছেই খারাপ বলে গণ্য হয়, অন্যদিকে এটা ভবিষ্যত জীবনে চলার পথের গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। একে অপরের খরচের অভ্যাস সম্পর্কে জানলে ভবিষ্যত সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। সন্তান গ্রহণ সম্পর্কে মতামত:   একসঙ্গে জীবন শুরু করার আগে সন্তানসন্ততি নিয়ে সঙ্গীর মতামত কী সে সম্পর্কে ধারণা রাখা প্রয়োজন। সন্তান নেওয়ার ইচ্ছা আছে কিনা অথবা কয়টা সন্তান গ্রহণে আগ্রহী ইত্যাদি বিষয়গুলো বিয়ে ঠিক হওয়ার আগে আলোচলা করে নিলে পরে দাম্পত্যে কলহ দেখা দেয় না। দাম্পত্য সম্পর্কে পরিকল্পনা:   বিবাহিত জীবনে সহবাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই সম্পর্কে সঙ্গীর ইচ্ছা বা মতামত জানতে খোলাখুলিভাবে আলোচনা করে নিয়ে অপ্রয়...

ডায়াবেটিস মোকাবিলায় দারচিনি

Image
দারচিনি রান্নায় ব্যবহৃত সব থেকে পরিচিত মশলার মধ্যে অন্যতম। শুধুমাত্র স্বাদ বা গন্ধের জন্য নয়, বিভিন্ন ওষুধ সম্বন্ধীয় বৈশিষ্ট্যের জন্যেও দারচিনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‘সিনামালডিহাইড’ খাবারের গন্ধ ছাড়াও বিভিন্ন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ক্ষেত্রে কার্যকরী হয়ে ওঠে। ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে দারচিনি। এছাড়াও অ্যান্টি–অক্সিডান্ট হিসেবেও দারচিনি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। দারচিনির পুষ্টিগুণ এক চামচ দারচিনিতে সাধারণত যা যা পুষ্টিকর উপাদান থাকে, তা হলো- ক্যালরি– ৬.৪২ কার্বোহাইড্রেট– ২.১ গ্রাম ক্যালসিয়াম– ২৬.১ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম– ১.৫৬ মিলিগ্রাম ফসফরাস– ১১.২ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম– ১১.২ মিলিগ্রাম এছাড়াও কোলাইন, লাইকোপেনের মতো বিভিন্ন অ্যান্টি–অক্সিডান্ট যথেষ্ট পরিমাণে পাওয়া যায় দারচিনিতে। দারচিনির ধরন মূলত দু ধরনের দারচিনি হয়: ১. সেইলন দারচিনি ২. চাইনিজ বা ক্যাশিয়া দারচিনি বলা হয়, সেইলন দারচিনি চাইনিজ দারচিনির থেকে অনেক বেশি কার্যকরী। নাম শুনেই বোঝা যায়, সেইলন দারচিনি শ্রীলঙ্কায় উদ্ভব, আর মূলত দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া অঞ্চলেই পাওয়া যায়। ডায়াবেটিসের ক্ষে...

হজমের সমস্যার জন্য কতবেল

Image
সুগন্ধযুক্ত কতবেল নারী-পুরুষ ও শিশুদের কাছে বেশ প্রিয় ফল। শক্ত খোলসযুক্ত ফলের ভেতরে ধূসর রঙের আঠালো শাঁস ও ছোট সাদা দানা থাকে। কতবেল টক ও মিষ্টি স্বাদযুক্ত হতে পারে। পাকা কতবেলে পর্যাপ্ত পরিমাণে আমিষ, শর্করা, চর্বি, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি ও সি থাকে। কাচা মরিচ, লবণ ও চিনি মিশিয়ে সুস্বাদু আচার বানিয়ে খাওয়া হয় এটি।   পেট ভালো রাখে কতবেলে আছে ট্যানিন নামক উপাদান। যা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া ও পেট ব্যথা ভালো করে। কাঁচা কতবেল ছোট এলাচ, মধু মিছিয়ে খেলে বদহজম দূর হয়। এছাড়া লিভার ও হার্টের জন্যও উপকারী। এক কথায় কতবেল পাইলসের প্রতিষেধক। রক্তস্বল্পতা দূর করে কতবেল রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। বুক ধড়ফড় ও রক্তের নিম্নচাপ রোধেও সহায়ক। মিছরির সঙ্গে কতবেল মিশিয়ে খেলে দেহে শক্তি বাড়ে ও রক্তস্বল্পতা দূর হয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ কতবেলের খনিজ উপাদান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। ডায়াবেটিসের আয়ূর্বেদী চিকিৎসায় এটি ব্যবহার হয়। গরম কম লাগে কতবেল শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্নায়ুর শক্তি যোগায়। তাই এ ফলটি খেলে গরম কম লাগে। ত্বকের জ্বালা পোড়া কমাতে কতবেল মলম হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। কিডনির জন্য ভ...